আর কবে নগেন্দ্রনন্দিনী,
পাষাণ পরাণে তিলেক দয়া হবে
এ দীনে জননী?
নেমেছি এ বেলা ভবের পাথারে নাহি গো তরণী
পারে যাব আশা করেছি গো মনে, শিবের ঘরণী।
করাল জলধি পথ নাহি জানি, হেরি মা অশনি।।
আর কবে নগেন্দ্রনন্দিনী...
এ ভবতরঙ্গ হয় না রে ভঙ্গ, তারা একি রঙ্গ!
গরজে পবন, ত্রাসিত নয়ন, থরথর অঙ্গ!
কোথা ভয়হরা দীনের তারিণী, দুঃখবারিণী!
তনয় বিশাখে জলধির পাঁকে ডোবে মাগো, ডাকে-
কোথা ত্রিনয়নী, পতিতপাবনী, শঙ্কাহরণী।।
আর কবে নগেন্দ্রনন্দিনী...
রচনা ও সুরঃ ৪/৬/২০২০
বিশাখদত্ত।
গতরাতে একটা ধ্রুপদ লেখার তাড়না এলো মনে। রাত ৩টা পর্যন্ত জেগে একটা কাব্য লিখে ফেললাম ধ্রুপদের জন্য। ভেবেছি চৌতালে বাঁধব। কিছুতেই সেই ভাবটা এলো না। তারপর এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত এই রূপে আনতে পেরেছি।
রাগ সম্পুর্ণ মালকোঁষের ছায়ায় ৯ মাত্রার শিবতাল! এ-তালে কখনো কিচ্ছুটি গাইনি! তাতে আবার নিজে গান তৈরির চেষ্টা একটু বেশী দুঃসাহসিকতা হয়ে গেল না? গলা খারাপ থাকা সত্ত্বেও গেয়ে রেখেছি- নইলে সুরটা মন থেকে সরে যাবে।
No comments:
Post a Comment